শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
মিড-ডে মিলের পুষ্টিকর খাবারের সঙ্গে বাড়ছে শিশু শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ট্রাক চাপায় ইজিবাইকের ৪ যাত্রী নিহত, আহত ৬ যাত্রী শুদ্ধাচার অনুশীলনে চল্লিশের চর্চা আলোচনা ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে ক্যম্পেইন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এসআরবি-১৩ এর অভিযানে ৯৯টি বোতল এস্কাফ ও ২কেজি গাঁজাসহ ৩জনকে গ্রেফতার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার ১৫ বিজিবি’র অভিযানে ২লক্ষ ৪৮হাজার ৮শত টাকার ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট ও ফেন্সিডিল এবং ইস্কাপ সিরাপ জব্দ বগি রেখে ২কিলোমিটার দূরে ইঞ্জিন, আড়াই ঘণ্টা সড়ক-রেল যোগাযোগ বন্ধ অবৈধভাবে পাথর তুললে আটকে খবর দিতে বললেন-এমপি হাসান রাজীব প্রধান ‎সবুজের সমারোহে ভরে উঠেছে লালমনিরহাটের সবজি গ্রাম
মোগলহাট স্থলবন্দর পুনঃচালুর উদ্যোগ নিতে চাইছে সরকার

মোগলহাট স্থলবন্দর পুনঃচালুর উদ্যোগ নিতে চাইছে সরকার

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান (অতিরিক্ত সচিব) বলেছেন, মোগলহাট স্থলবন্দরটি অনেক পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী। একটা সময় এই বন্দর দিয়ে দুই দেশের মানুষের যাতায়াত ছিল, নিয়মিত যানবাহন ও পণ্য পারাপার হতো। এই বন্দর পুনঃরায় চালু করতে সরকার আন্তরিকভাবে উদ্যোগ নিতে চায়। ভবিষ্যতে এটি নিয়ে কীভাবে কাজ করা যায়, তার সম্ভাব্যতা যাচাই করতেই আজকের এই প্রাথমিক পরিদর্শন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে লালমনিরহাট জেলা সদরের মোগলহাট স্থলবন্দরের বাণিজ্যিক গুরুত্ব ও অবকাঠামোগত সম্ভাব্যতা যাচাই পরিদর্শন করতে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহঃ রাশেদুল হক প্রধান, লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হক, লালমনিরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জি. আর. সারোয়ার, লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাজেদুল পাটোয়ারী সাজুসহ কাস্টমস ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান (অতিরিক্ত সচিব) জানান, মোগলহাট বন্দরটি পুনঃরায় সচল করার বিষয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সঙ্গে তার ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ব্রিটিশ আমল থেকেই মোগলহাট রুটটি বাণিজ্য ও যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল। এই রুট ব্যবহার করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারের গীতালদহ হয়ে আসাম ও সমগ্র ভারতের সঙ্গে সরাসরি রেল ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু ছিল। মোগলহাট শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারতের আসাম থেকে প্রচুর পরিমাণে কয়লা ও পাথর আমদানি করা হতো, আর বাংলাদেশ থেকে যেত বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী ও পাটজাত পণ্য।

২০০২ সালের দিকে ধরলা নদীর তীব্র ভাঙনে ভারত ও বাংলাদেশের সংযোগকারী রেল সেতুটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকেই এই রুট দিয়ে রেল যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে সড়ক যোগাযোগ এবং কাস্টমস শুল্ক স্টেশনের কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়ায় এক পর্যায়ে বন্দরটি পুরোপুরি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না করায় বর্তমানে এখানকার কাস্টমস অফিস ও রেলওয়ে স্টেশনসহ বিভিন্ন সরকারি অবকাঠামো জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

আঞ্চলিক ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের মতে, মোগলহাট স্থলবন্দরটি পুনঃরায় চালু হলে তা দেশের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে। বর্তমানে লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দরের ওপর চাপ অনেক বেশি। মোগলহাট বন্দরটি সচল হলে ভারতের সেভেন সিস্টার্স খ্যাত উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর (আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা) সাথে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য অনেক সহজ, দ্রুত এবং সাশ্রয়ী হবে। এতে করে মোংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যবহার যেমন বাড়বে, তেমনি এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

সকালে লালমনিরহাটে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান (অতিরিক্ত সচিব) মোগলহাটের বিভিন্ন জরাজীর্ণ অবকাঠামো, পরিত্যক্ত শুল্ক স্টেশন এবং সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone